রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২ | ১২ই অগ্রহায়ণ ১৪২৯

সিলেট বিমানবন্দর-বাদাঘাট-তেমুখি সড়ক পরিদর্শনে সওজের প্রতিনিধি দল

জাগরণ ডেস্ক //

সিলেটের বহুল আলোচিত বিমানবন্দর- বাদাঘাট – তেমুখি সড়ক পরিদর্শন করলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে সিলেটে এসে পৌছেই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সিলেট বিমানবন্দর থেকে বাদাঘাট হয়ে তেমুখি পয়েন্ট পর্যন্ত বিভিন্নস্হানে দাঁড়িয়ে তারা পুরো সড়কের রুপরেখা পর্যবেক্ষণ করেন।
এসময় সিলেট সড়ক বিভাগ কর্তৃক তৈরীকরা প্রস্তাবিত সড়কের নকশা(ম্যাপ) এ ত্রুটিপূর্ন থাকায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রতিনিধি দলের প্রধান, তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিজ্ঞ সার্ভেয়ার দল নিয়োগ করার মাধ্যমে ডিজিটাল সার্ভে (টিবিএম) দিয়ে সংশোধিত ম্যাপ তৈরী করতে সওজ সিলেট অফিসকে নির্দেশ প্রধান করেন,একই সঙ্গে সিলেট বিমানবন্দর এলাকায় রানওয়ে ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে প্রস্তাবিত ভুমি অধিগ্রহণের বিসয়টি মাথায় রেখে প্রয়োজনে সিলেট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঐ এলাকার রাস্তার ম্যাপ তৈরী করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রতিনিধি দলের প্রধান, বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন বলেন এ সড়কের বাস্তব অবস্থা সরজমিন পর্যবেক্ষণের জন্য আমরা এখানে এসেছি,আমরা আমাদের পর্যবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানাবো,পূর্বের ম্যাপ সংশোধনের মাধ্যমে এই সড়কের পূর্নাঙ্গ প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করা হবে। এতে আগামী ২-৩ মাস সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন আমরা যেহেতু এ রাস্তার জন্য সিলেটে এসেছি তাহলে অবশ্যই এ রাস্তার কাজ পূর্নাঙ্গ হবে।
পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্ম প্রধান জাকির হোসেন, উপ প্রধান শামিম উজ্জামান, সওজের রোড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিকী, পরিকল্পনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিন রেজা,সওজ সিলেটের তত্বাধদায়ক প্রকৌশলী আনোয়ারুল আমিন,অতিরিক্ত প্রকৌশলী তুষার সিনহা,সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী রিতেশ বডূয়া।
পরিদর্শনকালে এসময় প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মকসুদ আহমদ মকসুদ, সিলেট জেলা ট্রাক কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ মকসুদ আহমদ, সিলেট ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রতিনিধি।
২০১০ সালের ৪ আগষ্ট এ সড়কের কাজের সূচনা করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরবর্তীতে এ সড়কে বিভিন্ন কারনে রাস্তাটি পরিপূর্ণতা পায়নি,বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিলেট -১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড,এ কে আব্দুল মোমেন এর প্রচেষ্টায় আবারো রাস্তাটির কাজের জন্য প্রায় ১০ বছর পরে আলোর মুখ দেখতে শুরু করছে, রাস্তাটি পরিপূর্ণ হলে সিলেট নগরী অনেকটা যাবজট মুক্ত হবে বলে আশা করছেন সিলেটের সচেতন মহল।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন