রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১৩ই অগ্রহায়ণ ১৪২৮

আজ থেকে সোনার দাম আরো কমলো

জাগরণ ডেস্ক //

সোনার দাম আরেক দফা কমেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এবার প্রতি ভরি সোনার দর ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। আজ শনিবার থেকে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার গহনা ৭২ হাজার ২৫৮ টাকায় বিক্রি হবে। ২১ ক্যারেটের গহনা বিক্রি হবে ৬৯ হাজার ১০৯ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের অলঙ্কার বিক্রি হবে ৬০ হাজার ৩১২ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার গহনা বিক্রি হবে ৫০ হাজার ৩৮ টাকায়।

শুক্রবার পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার গহনা ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ২১ ক্যারেটের গহনা কিনতে লেগেছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের সোনার অলঙ্কারের জন্য লেগেছে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হয়েছে ৫১ হাজার ৪৯৭ টাকায়।

বাড়তে বাড়তে সোনার ভরি ৭৭ হাজার টাকার উপরে ওঠার পর গত ১৩ অগাস্ট সব ধরনের সোনার দাম ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কমিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস। এক সপ্তাহ পর আরেক দফা কমান হল। আন্তর্জাতিক বাজারে দর নিম্নমুখী হওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমানো হয়েছে বলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জানিয়েছেন। তিনি শুক্রবার রাতে বলেন, “গত ১২ অগাস্ট যখন গোল্ডের দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন প্রতি আউন্সের (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম) দাম ছিল ১৯৭০ ডলার। এখন এই মুহূর্তে দাম ১৯৪০ ডলার।”

তবে সোনার বাজার খুবই অস্থির জানিয়ে তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম খুব উঠা-নামা করছে। একবার কমছে, তো আবার বাড়ছে।

“শুধু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার কারণে নয়, এই করোনাভাইরাস মহামারীকালে আমাদের ক্রেতাদের ধরে রাখার জন্যও গোল্ডের দাম কমিয়েছি। দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় আমাদের দোকানগুলোতে স্বর্ণের গহনা বিক্রি একেবারে তলানিতে নেমে এসেছে। আমরা আমাদের লাভ-ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে ক্রেতাদের বাজারমুখী করতে দাম কমিয়েছি।”

বাজুসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বৈশ্বিক স্থবিরতা, ডলার ও তেলের দরপতন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে নজিরবিহীন উত্থান-পতন সত্ত্বেও দেশীয় স্বর্ণ বাজারের মন্দাভাব ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সোনার অলংকারের দাম কমানো হয়েছে।”

কোভিড-১৯ মহামারীতে অর্থনীতিতে স্থবিরতার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাংলাদেশের বাজারেও সোনার দাম বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। এই অবস্থায় সোনার দোকানগুলোতে বিক্রি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন