সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২১শে অগ্রহায়ণ ১৪২৮

ডিজিটাল ব্যাংকিং: আর্থিক সেবায় আর্থিক প্রযুক্তি

// লিপন মুস্তাফিজ //

আজ থেকে একশত চুয়ান্ন বছর আগে যখন ট্রান্সট্যান্টালিক কেবল সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছিল তখন মূলত ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজির (ফিনটেক) সূচনা হয়।এর পরে ১৮৬৬ থেকে ১৯১৩ সালে ফিনটেক ১.০ নামে পরিচিত ছিল। ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডে বার্কলেস ব্যাংকে এ.টি.এম. মেশিন বসানো হয়, সেই সময়টাকে ফিনটেক ২.০ পিড়িয়ড বলা হত। আর্থিক সেবার মৌলিক অবকাঠামোগত দিক হলো অর্থ ও প্রযুক্তির মধ্যে সমন্বয়। নতুন প্রযুক্তি সরবরাহ ও ব্যবহারের ফলে, আর্থিক প্রক্রিয়াগুলিকে উন্নত করার জন্য এমন ধারণার জন্ম। ফিনটেক এর মূল অংশে কম্পিউটর,ক্রমবর্ধমান স্মার্টফোনে ব্যবহৃত বিশেষায়িত সফটওয়্যার এবং অলগারিদমগুলি ব্যবহার করে সংস্থাগুলি গ্রাহকদের সেবার মান বাড়ানোতে বদ্ধ পরিকর।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ক্রমশঃ অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে।প্রায় সকল ব্যাংকই প্রতিনিয়ত অন্যান্য ব্যাংকের সাথে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় জড়িত । এমনকি একই ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছে। টিকে থাকার এই প্রতিযোগিতায় সেবার মান, গ্রাহকের তুষ্টি যেমন স্থান পেয়েছে,তেমনি একইভাবে বেড়েছে ফিনটেকের ব্যবহার।ফিনটেক ব্যবহারে বেসরকারী ব্যাংকসমূহ অনেক এগিয়ে। যেমন ই-ব্যাংকিং সেবা(এটিএম, ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ইত্যাদি) প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হলেও, দেশের রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ এক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে। ফলে সেই সকল ব্যাংক নতুন গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে অনেকটাই পিছিয়ে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পুরাতন গ্রাহকও প্রত্যাশিত সেবা পায় না বিধায় তাদের হিসাবসমূহ অন্যত্র স্থানান্তরের চিন্তা-ভাবনা করছে বা শুরু করেছে।এমতাবস্থায় বাজারে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলেও অন্যান্য বেসরকারী ব্যাংকের ন্যায় সরকারী সকল ব্যাংকে ফিনটেক এর ব্যবহার অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করা দরকার। যাতে করে প্রান্তিক জনগণের কাছে ব্যাংকিং সেবা দ্রুত পৌঁছে দেয়া যায়। তবে কথা থেকে যায় এই সেবা গ্রহণের জন্য আমাদের দেশের সব অঞ্চলের গ্রাহক কি প্রস্তুত?

এটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক যে, সরকারী ব্যাংকের গ্রাম ও শহর ভিত্তিক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়েঅনেক আগে থেকে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার অনেকাংশে বেড়েছে। যেখানে এক শাখা হতে অন্য শাখায় অনলাইন‌-এ লেনদেনের সুযোগ আছে। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং এ.টি.এম(অটোমেটেড টেলর মেশিন) সেবা চালু আছে, পজ(পয়েন্ট অব সেল) সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ আছে, মোবাইলে এস.এম.এস(সর্ট মেসেজ সার্ভিস) সেবা প্রচলিত আছে এবং সম্প্রতি ডুয়েল কারেন্সি ভিসা ক্রেডিট কার্ড সেবা সীমিত পর্যায়ে প্রচলন করা হয়েছে। তবে, অনেকসরকারী ব্যাংক এখনো ‘ইন্টারনেট ব্যাংকিং’ এবং ‘মোবাইল এ্যাপস বেসড ব্যাংকিং’ সেবা প্রচলন করেনি বা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন আছে।

আর্থিক প্রযুক্তির যুগে “মোবাইল এ্যাপস বেসড ব্যাংকিং”হল ব্যাংকের কার্যক্রম একটি মোবাইল এ্যাপসের দ্বারা সম্পন্ন হয়ে থাকে। মূলত ফিনটেক-এরই একটি সংস্করণ। একজন গ্রাহক তিনি যে ব্যাংকের সেবা নিয়ে থাকেন, তাকে সেই ব্যাংকের মোবাইল এ্যাপসটি তার নিজস্ব মোবাইল ফোনে ইন্সটল করে নিতে হবে। এরপরে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে উক্ত মোবাইল এ্যাপসটি দ্বারা গ্রাহক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সাথে সংযুক্ত হবেন এবং মোবাইল এ্যাপস-ভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। ফিনটেকের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এই সেবা গ্রহণে গ্রাহককে ব্যাংকে উপস্থিত হবার প্রয়োজন পড়ে না। বরং গ্রাহক যেকোন স্থানে থেকেই ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়ে মোবাইল এ্যাপসের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারে। নতুন কোন শাখা স্থাপন না করেও সারা দেশব্যাপী ব্যাংকিং কার্যক্রম বিস্তার করা সম্ভব হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, যেকারণে গ্রাহকের নিকট ‘মোবাইল এ্যাপস বেসড ব্যাংকিং’ সেবার চাহিদাও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে; ফলশ্রুতিতে সকল ব্যাংকই এই সেবার প্রসারে ও মান উন্নত করার জন্য জোর দিচ্ছে।

সারা বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস হতে সাধারণ জনগণকে নিরাপত্তায় তাদের চলাফেরা সীমিত রাখার নির্দেশনায়, স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা এবং প্রায় দুই মাসেরও অধিককাল সময় সাধারণ ছুটি ছিল।ফলে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও অনেকটাই স্থবির।এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা বিধানসহ দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায় হতেও ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাসমূহ যথাসম্ভব দ্রুত বাস্তবায়নে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।তথা ফিনটেকের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য তাগাদা প্রদান করা হয়।অর্থাৎ এই পরিস্থিতিতে গ্রাহক এবং ব্যাংকার উভয়ের স্বার্থ রক্ষায় ও ঝুঁকি হ্রাসে, স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায়, সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতির চাকাকে সচল রাখায় ব্যাংকে ফিনটেকের ব্যবহার এখন আর বিলাসী নয়, অত্যাবশ্যক।

একথা আমাদের জন্য নতুন নয় যে, ই-ব্যাংকিং সেবা হলো এমন একটি ব্যাংকিং সেবা, যেখানে গ্রাহক ইন্টারনেট সংযোগ আছে এমন যেকোন ডিজিটাল/ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে যেমন: কম্পিউটার, ট্যাব, স্মার্ট ফোন ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাংকে উপস্থিত না হয়েও বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা যেমন: অর্থ স্থানান্তর,হিসাবের লেনদেন বিবরনী, বিল পরিশোধ, চেক বই ইস্যু, হিসাব লেনদেন স্থিতি অবলোকন, বিল পরিশোধ, চেক বই ইস্যু, কে.ওয়াই.সি ফরম পূরণ, ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করতে পারে। মূলত: ব্যাংকের অত্যধুনিক ও নিরাপদ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ই-ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হয়। ব্যাংক যেসকল ব্যাংকিং সেবা ‘এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং’-এ অন্তর্ভু্ক্ত করবে গ্রাহক কেবল সেসকল সেবাই উক্ত এ্যাপস-এর মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবে,যেমনঃ আরটিজিএস লেনদেন আবেদন করা (অন্য ব্যাংকের হিসাবে অর্থ স্থানান্তর), ইএফটিএন লেনদেনের আবেদন করা (অন্য ব্যাংকের হিসাবে অর্থ স্থানান্তর), ওটিপি (এক কালীন পাসওয়ার্ড) এলার্ট প্রাপ্তি (এস.এম.এস এলার্ট প্রাপ্তি), ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মোবাইল টপ-আপ/রিচার্জ, চেক বই-এর জন্য আবেদন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফি ও টিউশন ফি জমাকরণ, বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবার জন্য অনুরোধ/ নির্দেশনা প্রদান, বিভিন্ন ধরনের অনুসন্ধান, অভিযোগ দায়ের করা, কার্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা, ঋণ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা, স্টপ চেক পেমেন্ট, টিকেটিং,শপিং ইত্যাদি।

আমাদের দেশে ব্যাপক হারে স্মার্ট ফোনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় ‘এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং’ সেবাও বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে তা এখনো সীমিত আকারেই আছ। অধিকাংশ গ্রাহকই সরাসরি ইন্টারনেট ব্যাংকিং অপেক্ষা ‘এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং’-এ বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিতকরণ সম্ভব হবে; ফলে গ্রাহক এবং ব্যাংকার উভয় পক্ষেরই স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস পাবে, করোনা পরিস্থিতিতে ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা তথা অর্থনীতিকে চলমান রাখা সহজ হবে। দেশের বেশিরভাগ ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোন থাকায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ফিনটেকের এর মূল সুবিধাই হল সহজ সেবার প্রাপ্তি, যা নতুন গ্রাহকের দৃষ্টিকাড়তে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। এছাড়া দ্রুততম সময়ে স্বল্প খরচে উন্নত সেবা প্রদান করা সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন সেবা যেমন বিল পে, মোবাইল রিচার্জ ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাংকের আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। সর্বপরি, শাখাসমূহে এই করোনা সময়ে জনসমাগম বৃদ্ধি না ঘটিয়েও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সচল রাখা সম্ভব হবে।এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করা সম্ভব হলে সরকারী ব্যাংকের পক্ষে সমগ্র দেশ জুড়েই কোন নতুন শাখা স্থাপন না করেই ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক বিস্তার করা সম্ভব হবে যা আমাদের ব্যাংকের সক্ষমতাকে অনেকাংশেই বৃদ্ধি করবে। ব্যাংকের আমানত হিসাবসংখ্যা বৃদ্ধি, আমানত বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক কর্মকান্ডও বৃদ্ধি পাবে, সুদ ও অন্যান্য আয় বৃদ্ধি, ভ্যালু এডেড সার্ভিস যেমন বিল পেমেন্ট, আর্থিক লেনদেন হতে কমিশন আয় বৃদ্ধির নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে; ভবিষ্যতে ই-কমার্সের মাধ্যমেও আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। করোনা পরিস্থিতিতে এ্যাপস বেসড ব্যাংকিং সেবা প্রচলনে মানুষের জীবনের ঝুঁকি অনেকাংশেই হ্রাস করা যাবে, যা কোন অর্থের মানদন্ডে পরিমাপযোগ্য নয়। সামাজিক দায়বদ্ধতার নিরিখেও প্রকল্পটি অতি দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

ব্যাংকারের দৃষ্টিকোণ হতে পুরোপ্রক্রিয়াটিবেশজটিল। এক্ষেত্রে ব্যাংকিং সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তার রক্ষায় এবং ঝুঁকি হ্রাসে ব্যাংককে সর্বদা অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বনের প্রয়োজন হবে। মোবাইল এ্যাপস বেসড ব্যাংকিং চালুকরণে ব্যাংক সাধারণত যে সকল ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে তা হল, নিরাপত্তা জনিত ত্রুটির কারণে গ্রাহকের জমাকৃত অর্থ বা গোপন তথ্য হারানো, গ্রাহকের নাম, পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য পাওয়ার জন্য জালিয়াতির চেষ্টা, অন্য কারো গ্রাহকের হিসাবে প্রবেশ করা এবং লেনদেন সম্পন্ন করা, ব্যাংকের সার্ভার এবং ব্যাংকিং সিস্টেমে অযাচিত ব্যক্তির অনুপ্রবেশের চেষ্টা, ব্যাংকের সার্ভার এবং ব্যাংকিং সিস্টেমে অযাচিত ব্যক্তি অনুপ্রবেশ করে তথ্য এবং অর্থ হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা, গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নেয়া বা তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা এবং ব্যাংকের সিস্টেম হ্যাক করা, অননুমোদিত ব্যবহার, অনাকাঙ্ক্ষিতলেনদেন এবং লেনদেনের তথ্য পরিবর্তন করা, ইত্যাদি।

ফিনটেক ব্যবহারে কিছু না কিছু ঝুঁকি থাকবেই যা অত্যন্ত স্বাভাবিক। এই ঝুঁকি একেবারেই নির্মূল করা সম্ভব না হলেও ব্যাংকের পক্ষে তা অনেকাংশেই নিরসন করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ঝুঁকি প্রশমনে ব্যাংক নিম্নোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করতে পারে:ব্যবহারকারিরটার্মিনালএবংসার্ভারেরমধ্যেনিরাপদডাটাট্রান্সফারেরজন্যই-ব্যাংকিংপোর্টালেTransport Layer Security (TLS)/Secured Sockets Layer (SSL)সার্টিফিকেটব্যবহার, ই-ব্যাংকিংলেনদেনেরজন্যTwo Factor AuthenticationএবংIdentity checkব্যবস্থাবাস্তবায়ন, Internet Banking Securityসম্পর্কেব্যবহারকারী/হিসাবধারীদের মধ্যেসচেতনতা বৃদ্ধিকরণ; যেমন: পাসওয়ার্ডকাউকেনাজানানোএবংসহজেইধারণাকরাযায়এমনপাসওয়ার্ডদিয়েনিজেরফোনঅন্যকারোকাছেরেখেনাযাওয়া, ইত্যাদি।নতুন নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় নিয়মিত সিস্টেম আপডেট করা।ইন্টারনেট বেসড প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তায় উন্নতমানের এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ওয়েব এপ্লিকেশন ফায়ারওয়ালস্থাপনকরা।যদি কোন দূর্ঘটনা ঘটেই যায় সেই ঝুঁকি প্রশমনে ব্যাংকের সকল ডিজিটার ঝুঁকির বিপরীতে একটি পৃথক ঝুঁকি তহবিলগঠন করা।শুধুমাত্র করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতেই নয় বরং বর্তমান ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি বা আর্থিক প্রযুক্তির যুগে এ্যাপস বেসড মোবাইল ব্যাংকিং সেবা আমাদের দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য পণ্যে পরিণত হতে যাচ্ছে।

লেখক: লিপন মুস্তাফিজ, পিএইচডি এবং এমএসসি, এমবিএ (লন্ডন)

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন