বুধবার, ৬ জুলাই ২০২২ | ২২শে আষাঢ় ১৪২৯

ইউরোপ ফাইজারের কাছ থেকে ৩০ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন কিনবে

সম্প্রতি মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ইলি লিলি অ্যান্ড কো.-এর একটি অ্যান্টিবডি থেরাপিতে ফাইজারের ভ্যাকসিনে অসাধারণ ফলাফল পাওয়া গেছে। এটি জরুরি ক্ষেত্রে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজারের কাছ থেকে ৩০ কোটি ডোজ করোনার ভ্যাকসিন কেনার বিষয়ে একমত হয়েছে। ফাইজারের ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত শতকরা ৯০ ভাগ কার্যকর বলে খবর প্রকাশের পর এই ঘোষণা দিল ইইউ।

ইইউর স্বাস্থ্য বিষয়ক কমিশনের প্রধান স্টালা ক্রাকিডিস বলেছেন, ফাইজারের সঙ্গে এরইমধ্যে ইইউ সমঝোতায় পৌঁছেছে এবং এই কোম্পানিকে ভ্যাকসিনের অর্থ অগ্রিম পরিশোধ করা হবে। তবে প্রতি ডোজ ভ্যাকসিন কত টাকায় কেনা হচ্ছে সে তথ্য তিনি প্রকাশ করেননি।

যুক্তরাষ্ট্রেরই বায়োএনটেক কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ফাইজার। এই কোম্পানির ভ্যাকসিনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী সাড়া পড়ে গেছে এবং এখন পর্যন্ত স্বেচ্ছায় ৪৩ হাজার ৫০০ মানুষ পরীক্ষামূলকভাবে এই ভ্যাকসিন করেছেন এবং তাতে এটির ৯০ ভাগ কার্যতারিতা প্রমাণিত হয়েছে।

এর মধ্যেই ১৩ দেশের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেকের। সংস্থা দু’টি জানিয়েছে, তারা ভ্যাকসিনের ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডোজ তৈরি করতে পারবে। ২০২১ সালের শেষ নাগাদ ৬৫০ মিলিয়ন মানুষের দেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। অপরদিকে ২০২০ সালের শেষের দিকেই ৫০ মিলিয়ন ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি হয়ে যাবে বলেও দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
ফাইজার ঘোষণা করেছে, তারা চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে করোনা-ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু করতে পারবে।

ফাইজার ও বায়োএনটেক চলতি নভেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ বিষয়ক সংস্থা- এফডিআই’র কাছে এই ভ্যাকসিন বিক্রির লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবে।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন