শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২ | ১৪ই মাঘ ১৪২৮

সাহেদের মামলা তদন্ত করবে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা টেস্ট ও চিকিৎসার নামে রিজেন্ট হাসপাতালে জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে র‌্যাব। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, মঙ্গলবার তারা মামলাটির তদন্তের দায়িত্বভার পেয়েছেন। রাজধানীর উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর ৭ জুলাই র‌্যাব-১ এর পরিদর্শক জুলহাস মিয়া মামলাটি দায়ের করেন। প্রথমে এ মামলা পুলিশের হাতে ছিলো, পরে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশকে। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ডিবি কর্মকর্তারা।

মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অস্ত্র ও জাল টাকার তিনটি মামলা করা হয় উত্তরা পশ্চিম থানায়। প্রতারণা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেয়া, রোগীর কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম গত ৬ জুলাই র‌্যাবের অভিযানেই বের হয়েছিল। র‌্যাবের মামলায় বলা হয়, মোহাম্মদ সাহেদ নিজেকে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি বলে দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে সে একজন ধুরন্ধর, অর্থলিপ্সু ও পাষণ্ড। মামলায় বলা হয়, রোগী তার প্রতারণার কথা জেনে প্রতিবাদ করলে হুমকি দিতো মোহাম্মদ সাহেদ। দণ্ডবিধির ৪০৬/ ৪১৭/৪৬৫/৪৬৮/৪৭১ ও ২৬৯ ধারায় করা মামলায় অপরাধ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সেই সঙ্গে জরিমানাও হতে পারে। সাহেদ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখন গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে গ্রেপ্তারের পরদিন ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন