শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২ | ১৪ই মাঘ ১৪২৮

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ভিড় কমছেই না

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আসছে কঠোর লকডাউন। সব রকম যানবাহন চলাচল বন্ধসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাওয়া নিষেধ রয়েছে।
এদিকে কঠোর লকডাউনের আগেই বাড়ি ফিরতে হবে। তাই শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীদের ভিড় যেন কমছেই না। ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে ফেরিতে।

রোববার (২৭ জুন) শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। সেখানে যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা দেখা যায়নি। ফেরিতে গাদাগাদি করে গায়ের সঙ্গে গা মিশিয়ে দাঁড়িয়ে এবং বসে পদ্মা পার হতে দেখা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, নৌরুটে ৪টি রোরো ফেরিসহ ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। ফেরিতে সকাল থেকেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। কঠোর লকডাউনের আগেই যাত্রীদের গন্তব্যে যাওয়ার তাড়াহুড়া রয়েছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার উদ্দেশে যাওয়া যাত্রীদের পাশাপাশি ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড়ও রয়েছে। শনিবার বিকেলে ভিড় কিছুটা কমলেও রোববার সকাল থেকে ফেরিতে গাদাগাদি অবস্থাতেই পার হচ্ছে যাত্রীরা।

ঘরমুখো যাত্রী আয়শা আক্তার বলেন, লকডাউনের আগেই বাড়িতে চলে যাচ্ছি। আজ প্রচুর ভিড় রয়েছে ফেরিতে।

ঢাকা থেকে আসা গোপালগঞ্জের যাত্রী মো. বাহাদুর বলেন, লকডাউন কতদিন থাকবে তার নিশ্চয়তা নাই। সামনে কোরবানি। এমনও হতে পারে ঈদ পর্যন্ত লকডাউন। ঢাকায় থেকে কি করবো? আয় রোজগার বন্ধ তাই বাড়িতে যাচ্ছি। বাড়িতে গিয়ে ক্ষেতখামারে দিনমজুরি করলেও পেট চালানো যাবে।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, লকডাউনকে সামনে রেখে যাত্রীদের ভিড় রয়েছে ঘাটে। যানবাহনের বাড়তি চাপ নেই। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাটে দুর্ভোগ নেই যাত্রীদের। রোববার ঢাকামুখো যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি।

সংবাদটি আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন